< প্রকাশিত বাক্য 18 >

1 এসবের পরে আর একজন স্বর্গদূতকে আমি স্বর্গ থেকে নেমে আসতে দেখলাম; তার মহান কর্তৃত্ব ছিল এবং পৃথিবী তার মহিমায় আলোকিত হয়ে উঠল।
ଏଥିଉତ୍ତାରେ ମୁଁ ଆଉ ଜଣେ ଦୂତଙ୍କୁ ସ୍ୱର୍ଗରୁ ଓହ୍ଲାଇ ଆସିବାର ଦେଖିଲି; ସେ ମହାକ୍ଷମତାପନ୍ନ, ତାହାଙ୍କ ମହିମାରେ ପୃଥିବୀ ଆଲୋକମୟ ହୋଇଗଲା।
2 তিনি জোরে চেঁচিয়ে বললেন, “সেই নাম করা বাবিলন ধ্বংস হয়ে গেছে;” সেটা ভূতদের থাকার জায়গা হয়েছে আর সব মন্দ আত্মার আড্ডাখানা এবং অশুচি ও জঘন্য পাখীর বাসা হয়েছে।
ସେ ମହା ଶଦ୍ଦ କରି ଉଚ୍ଚସ୍ୱରରେ କହିଲେ, “ମହାନଗରୀ ବାବିଲ ପତିତ, ଅଧଃପତିତ ହୋଇଅଛି, ତାହା ଭୂତମାନଙ୍କ ବାସସ୍ଥାନ ପୁଣି, ଅଶୁଚି ଆତ୍ମାମାନଙ୍କର ଏବଂ ଅଶୁଚି ଓ ଘୃଣ୍ୟ ପକ୍ଷୀମାନଙ୍କର ଆଶ୍ରୟ-ସ୍ଥାନ ହୋଇଅଛି।
3 কারণ সমগ্র জাতি তার বেশ্যা কাজের ভয়ঙ্কর মদ পান করেছে এবং পৃথিবীর সব রাজারা তার সঙ্গে ব্যভিচার করেছে এবং পৃথিবীর ব্যবসায়ীরা তার বিলাসিতার শক্তির জন্য ধনী হয়েছে।
କାରଣ ଜାତିସମୂହ, ତାହାର ବ୍ୟଭିଚାର କାମରୂପ ସୁରା ପାନ କରିଅଛନ୍ତି, ପୃଥିବୀର ରାଜାମାନେ ତାହା ସହିତ ବ୍ୟଭିଚାର କରିଅଛନ୍ତି ଓ ପୃଥିବୀର ବଣିକମାନେ ତାହାର ବିଳାସିତାରେ ଧନୀ ହୋଇଅଛନ୍ତି।”
4 তখন আমি স্বর্গ থেকে আর একটা বাক্য শুনতে পেলাম, “হে আমার জনগণ, তোমরা ওই বাবিলন থেকে বের হয়ে এসো, যেন তোমরা তার পাপের ভাগী না হও, সুতরাং তার যে সব আঘাত তোমাদের ভোগ না করতে হয়।”
ପରେ ମୁଁ ସ୍ୱର୍ଗରୁ ଆଉ ଗୋଟିଏ ସ୍ୱର ଏହା କହିବାର ଶୁଣିଲି, “ହେ ଆମ୍ଭର ଲୋକମାନେ, ତୁମ୍ଭେମାନେ ଯେପରି ତାହାର ପାପର ସହଭାଗୀ ନ ହୁଅ ଓ ତାହାର କ୍ଲେଶର ଅଂଶୀ ନ ହୁଅ, ଏଥିନିମନ୍ତେ ତାହାଠାରୁ ବାହାରି ଆସ;
5 কারণ তার পাপ স্বর্গ পর্যন্ত উঁচু হয়ে গেছে এবং ঈশ্বর তার মন্দ কাজের কথা মনে করেছেন।
କାରଣ ତାହାର ପାପରାଶି ସ୍ୱର୍ଗ ପର୍ଯ୍ୟନ୍ତ ସୁଦ୍ଧା ଉଠିଅଛି, ଆଉ ଈଶ୍ବର ତାହାର ଅଧର୍ମସବୁ ସ୍ମରଣ କରିଅଛନ୍ତି।
6 সে যেমন অন্যদের সঙ্গে ব্যবহার করত তোমরাও তার সঙ্গে সেরকম ব্যবহার কর; এবং তার কাজ অনুযায়ী তাকে দ্বিগুন প্রতিফল দাও, যে পেয়ালায় সে অন্যদের জন্য মদ মেশাত, সেই পেয়ালায় তার জন্য দ্বিগুন পরিমাণে মদ মিশিয়ে তাকে দাও।
ସେ ଯେପରି କରିଅଛି, ସେହିପରି ତାହାକୁ ପ୍ରତିଫଳ ଦିଅ, ତାହାର କର୍ମାନୁସାରେ ତାହାକୁ ଦ୍ୱିଗୁଣ ପ୍ରତିଫଳ ଦିଅ, ଆଉ ସେ ଯେଉଁ ପାତ୍ରରେ ମଦ୍ୟ ମିଶ୍ରିତ କରିଅଛି, ସେଥିରେ ତାହା ପାଇଁ ଦ୍ୱିଗୁଣ ମଦ୍ୟ ମିଶ୍ରିତ କର।
7 সে নিজে নিজের বিষয়ে যত গৌরব করেছে ও বিলাসিতায় বাস করেছে, তাকে ঠিক ততটা যন্ত্রণা ও দুঃখ দাও। কারণ সে মনে মনে ভাবে, আমি রাণীর মত সিংহাসনে বসে আছি, আমি একজন বিধবা নয় এবং আমি কখনও দুঃখ দেখব না।
ସେ ଯେତେ ନିଜର ଗୌରବ କରିଅଛି ଓ ବିଳାସିତାରେ କାଳ କାଟିଅଛି, ତାହାକୁ ସେତେ ଯନ୍ତ୍ରଣା ଓ ଶୋକ ଦିଅ; କାରଣ ସେ ମନେ ମନେ କହୁଅଛି, ମୁଁ ରାଣୀ ହୋଇ ବସିଅଛି, ମୁଁ ବିଧବା ନୁହେଁ, ମୋତେ କଦାପି ଶୋକ କରିବାକୁ ହେବ ନାହିଁ।
8 এই কারণে এক দিনের তার সব আঘাত যেমন মৃত্যু, দুঃখ ও দূর্ভিক্ষ তার ওপরে পড়বে; এবং তাকে আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হবে, কারণ তাকে যে বিচার করবেন তিনি হলেন শক্তিমান প্রভু ঈশ্বর।
ଏନିମନ୍ତେ ଏକ ଦିନରେ ହିଁ ତାହା ପ୍ରତି ଏହି ସମସ୍ତ କ୍ଲେଶ, ଅର୍ଥାତ୍‍ ମୃତ୍ୟୁ, ଶୋକ ଓ ଦୁର୍ଭିକ୍ଷ ଘଟିବ, ଆଉ ସେ ସମ୍ପୂର୍ଣ୍ଣ ରୂପେ ଅଗ୍ନିରେ ଦଗ୍ଧ ହେବ, ଯେଣୁ ତାହାର ବିଚାରକର୍ତ୍ତା ପ୍ରଭୁ ଈଶ୍ବର ଶକ୍ତିମାନ।”
9 পৃথিবীর যে সব রাজারা তার সঙ্গে ব্যভিচার করেছে ও জাঁকজমক করে বাস করেছে, তারা তার পুড়িয়ে ফেলার দিন ধুমা দেখে তার জন্য কাঁদবে এবং দুঃখ করবে;
ପୃଥିବୀର ଯେ ସମସ୍ତ ରାଜା ତାହା ସଙ୍ଗରେ ବ୍ୟଭିଚାର କରି ବିଳାସିତାରେ କାଳ କାଟିଅଛନ୍ତି, ସେମାନେ ତାହା ଅଗ୍ନିର ଧୂମ ଦେଖି ତାହା ନିମନ୍ତେ କ୍ରନ୍ଦନ ଓ ବିଳାପ କରିବେ;
10 ১০ তারা তার যন্ত্রণা দেখে ভয়ে দূরে দাঁড়িয়ে বলবে হায় বাবিলন হায়! সেই নাম করা শহর বাবিল, ক্ষমতায় পরিপূর্ণ সেই শহর! এত অল্প দিনের মধ্যে তোমার শাস্তি এসে গেছে।
ସେମାନେ ତାହାର ଯନ୍ତ୍ରଣାରେ ଭୟ ହେତୁ ଦୂରରେ ଠିଆ ହୋଇ କହିବେ, “ହାୟ, ହାୟ, ମହାନଗରୀ, ପରାକ୍ରମୀ ନଗରୀ ବାବିଲ, ତୁ ସନ୍ତାପର ପାତ୍ରୀ। କାରଣ ଏକ ଘଡ଼ି ମଧ୍ୟରେ ତୋହର ଦଣ୍ଡ ଉପସ୍ଥିତ ହେଲା।”
11 ১১ পৃথিবীর ব্যবসায়ীরাও তার জন্য কাঁদবে এবং দুঃখ করবে কারণ তাদের ব্যবসায়ের জিনিসপত্র আর কেউ কিনবে না;
“ଆଉ ପୃଥିବୀର ବଣିକମାନେ ତାହା ନିମନ୍ତେ କ୍ରନ୍ଦନ ଓ ଶୋକ କରିବେ, କାରଣ କେହି ସେମାନଙ୍କ ବାଣିଜ୍ୟ-ଦ୍ରବ୍ୟ ଆଉ କ୍ରୟ କରିବ ନାହିଁ,
12 ১২ তাদের ব্যবসার জিনিসপত্র গুলি হলো সোনা, রূপ, দামী পাথর, মুক্ত, মসীনা কাপড়, বেগুনী রঙের কাপড়, রেশমি কাপড়, লাল রঙের কাপড়; সব রকমের চন্দন কাঠ, হাতির দাঁতের সব রকমের পাত্র, দামী কাঠের এবং পিতলের, লৌহের ও মার্বেল পাথরের সব রকমের তৈরী জিনিস,
ଯଥା, ସୁବର୍ଣ୍ଣ, ରୌପ୍ୟ, ମଣି, ମୁକ୍ତା, ସୂକ୍ଷ୍ମ ବସ୍ତ୍ର, କୃଷ୍ଣଲୋହିତ ବର୍ଣ୍ଣର ବସ୍ତ୍ର, ପଟୁବସ୍ତ୍ର, ଲୋହିତବର୍ଣ୍ଣ ବସ୍ତ୍ର, ସମସ୍ତ ପ୍ରକାର ଚନ୍ଦନକାଷ୍ଠ, ହସ୍ତୀଦନ୍ତର ସର୍ବ ପ୍ରକାର ବସ୍ତୁ, ଅତି ବହୁମୂଲ୍ୟ କାଠ, ପିତ୍ତଳ, ଲୌହ ଓ ମର୍ମର ପ୍ରସ୍ତର ନିର୍ମିତ ସମସ୍ତ ପ୍ରକାର ବସ୍ତୁ,
13 ১৩ এবং দারুচিনি, এলাচি, ধূপ, আতর ও গন্ধরস, কুন্দুরু, মদিরা, তৈল, উত্তম ময়দা ও গম, পশু, ভেড়া; এবং ঘোড়া, ঘোড়ার গাড়ী রথ, দাস ও মানুষের আত্মা।
ଦାରୁଚିନି, ସୁଗନ୍ଧିଦ୍ରବ୍ୟ, ଧୂପ, ସୁଗନ୍ଧି ଲେପ୍ୟଦ୍ରବ୍ୟ, କୁନ୍ଦୁରୁ, ମଦ୍ୟ, ସୁଗନ୍ଧି ତୈଳ, ମଇଦା, ଗହମ, ଗୋରୁ, ମେଷ, ଅଶ୍ୱ, ରଥ, କ୍ରୀତଦାସ ଓ ମନୁଷ୍ୟମାନଙ୍କ ପ୍ରାଣ।
14 ১৪ যে ফল তুমি প্রত্যাশিত করতে চেয়েছিলে তা তোমার কাছ থেকে দূরে চলে গেছে এবং তোমার জাঁকজমক ও সব ধন নষ্ট হয়ে গেছে; লোকেরা সে সব আর কখনও পাবে না।
ତୋହର ପ୍ରାଣର ଅଭିଳାଷର ଫଳସବୁ ତୋହଠାରୁ ଦୂର ହୋଇଅଛି, ପୁଣି, ସମସ୍ତ ସୁସ୍ୱାଦୁ ଓ ମନୋହର ବିଷୟ ତୋହଠାରୁ ଅନ୍ତର କରାଯାଇ ବିନଷ୍ଟ ହୋଇଅଛି, ଆଉ କେବେ ହେଁ ସେ ସମସ୍ତର ଉଦ୍ଦେଶ୍ୟ ମିଳିବ ନାହିଁ।
15 ১৫ ঐ সব জিনিসের ব্যবসা করে ব্যবসায়ীরা যারা ধনী হয়েছিল, তার যন্ত্রণা এবং দুঃখ দেখে সেই ব্যবসায়ীরা ভয়ে দূরে দাঁড়িয়ে থাকবে, আর কাঁদতে কাঁদতে বলবে,
ଏହି ସମସ୍ତ ଦ୍ରବ୍ୟର ଯେଉଁ ବଣିକମାନେ ତାହା ଦ୍ୱାରା ଧନୀ ହୋଇଥିଲେ, ସେମାନେ ତାହାର ଯନ୍ତ୍ରଣାର ଭୟ ହେତୁ ଦୂରରେ ଠିଆ ହୋଇ କ୍ରନ୍ଦନ ଓ ଶୋକ କରି କହିବେ,
16 ১৬ হায়! হায়! সেই মহান শহর মসীনা কাপড়, বেগুনী ও লাল রঙের কাপড় পরা এবং সোনা ও দামী পাথর এবং মুক্তায় সাজগোজ করা সেই নাম করা শহর;
‘ହାୟ, ହାୟ, ମହାନଗରୀ, ସନ୍ତାପର ପାତ୍ରୀ। ତାହା ସୂକ୍ଷ୍ମ ବସ୍ତ୍ର, ବାଇଗଣୀ ରଙ୍ଗର, ଓ ଲୋହିତବର୍ଣ୍ଣ ବସ୍ତ୍ର ପରିହିତା ଥିଲା, ପୁଣି, ସୁବର୍ଣ୍ଣ, ମଣି ଓ ମୁକ୍ତାରେ ଭୂଷିତା ଥିଲା।
17 ১৭ এক ঘন্টার মধ্যেই সেই মহাসম্পত্তি ধ্বংস হয়ে গেছে। জাহাজের প্রত্যেক প্রধান কর্মচারী, ও জলপথের যাত্রীরা এবং নাবিকরা ও সমুদ্র ব্যবসায়ীরা সবাই দূরে দাঁড়িয়ে থাকলো,
କାରଣ ଏକ ଘଡ଼ି ମଧ୍ୟରେ ସେହି ମହାସମ୍ପତ୍ତି ଧ୍ୱଂସ ହୋଇଗଲା।’” ଆଉ ପ୍ରତ୍ୟେକ ଜାହାଜ ଅଧ୍ୟକ୍ଷ ଓ ଜଳପଥରେ ଗତାୟତକାରୀ ପ୍ରତ୍ୟେକ ଲୋକ ପୁଣି, ନାବିକ ଓ ସମୁଦ୍ର ବ୍ୟବସାୟୀ ସମସ୍ତେ ଦୂରରେ ଠିଆ ହୋଇ,
18 ১৮ তাকে পোড়াবার দিন ধোঁয়া দেখে তারা জোরে চিত্কার করে বলল, সেই নাম করা শহরের মত আর কোনো শহর আছে?
ତାହାର ଅଗ୍ନିର ଧୂମ ଦେଖି ଚିତ୍କାର କରି କହିଲେ, ଏହି ମହାନଗରୀ ତୁଲ୍ୟ ଆଉ କେଉଁ ନଗରୀ?
19 ১৯ আর তারা মাথায় ধূলো দিয়ে কেঁদে কেঁদে ও দুঃখ করতে করতে জোরে চিত্কার করে বলতে লাগল, হায়! হায়! সেই নাম করা শহর, যার ধন দিয়ে সমুদ্রের ব্যবসায়ীরা জাহাজের মালিকরা সবাই বড়লোক হয়েছিল; আর সেটা এক ঘন্টার মধ্যেই সে ধ্বংস হয়ে গেল।
ସେମାନେ ଆପଣା ଆପଣା ମସ୍ତକରେ ଧୂଳି ପକାଇ କ୍ରନ୍ଦନ ଓ ଶୋକ କରି ଚିତ୍କାର ସହ କହିଲେ, “‘ହାୟ, ହାୟ, ମହାନଗରୀ, ସନ୍ତାପର ପାତ୍ରୀ। ତାହାର ସମୃଦ୍ଧି ଦ୍ୱାରା ସମସ୍ତ ସମୁଦ୍ରଗାମୀ ଜାହାଜର କର୍ତ୍ତାମାନେ, ଧନବାନ ହୋଇଥିଲେ; ଏବେ ଏକ ଘଡ଼ି ମଧ୍ୟରେ ତାହା ଧ୍ୱଂସ ହୋଇଗଲା।
20 ২০ হে স্বর্গ, হে পবিত্র লোকেরা, হে প্রেরিতরা, হে ভাববাদীরা, তোমরা সবাই তার জন্য আনন্দ কর; কারণ সে তোমাদের ওপর যে অন্যায় করেছে, ঈশ্বর তার বিচার করেছেন।
ହେ ସ୍ୱର୍ଗ, ହେ ସାଧୁବୃନ୍ଦ, ହେ ପ୍ରେରିତବର୍ଗ, ହେ ସମସ୍ତ ଭାବବାଦୀ, ତୁମ୍ଭେମାନେ ତାହାର ପତନରେ ଆନନ୍ଦ କର, କାରଣ ଈଶ୍ବର ତୁମ୍ଭମାନଙ୍କ ସକାଶେ ତାହାଠାରୁ ପ୍ରତିଶୋଧ ନେଇଅଛନ୍ତି।’”
21 ২১ পরে শক্তিশালী একজন স্বর্গদূত একটা বড় যাঁতার মত পাথর নিয়ে সমুদ্রে ছুঁড়ে ফেলে দিয়ে বললেন, এরই মত মহান শহর বাবিলনকে ফেলে দেওয়া হবে, আর কখনও তার দেখা পাওয়া যাবে না।
ତତ୍ପରେ ଜଣେ ବଳବାନ ଦୂତ ଗୋଟିଏ ବୃହତ୍ ଚକିପଥର ପରି ଗୋଟିଏ ପଥର ସମୁଦ୍ରରେ ନିକ୍ଷେପ କରି କହିଲେ, “ଏହିପରି ମହାବଳରେ, ମହାନଗରୀ ବାବିଲ ନିକ୍ଷିପ୍ତ ହେବ, ଆଉ କେବେ ହେଁ ତାହାର ଉଦ୍ଦେଶ୍ୟ ମିଳିବ ନାହିଁ।
22 ২২ যারা বীণা বাজায়, যারা গান গায়, যারা বাঁশী বাজায় ও তূরী বাজায় তাদের শব্দ তোমার মধ্যে আর কখনও শোনা যাবে না; এবং আর কখনও কোন রকম শিল্পীকে তোমার মধ্যে পাওয়া যাবে না; এবং যাঁতার শব্দ আর কখনও তোমার মধ্যে শোনা যাবে না;
ବୀଣାବାଦକ, ଗାୟକ, ବଂଶୀବାଦକ ଓ ତୂରୀବାଦକମାନଙ୍କର ଶବ୍ଦ ତୋʼ ମଧ୍ୟରେ ଆଉ କେବେ ହେଁ ଶୁଣାଯିବ ନାହିଁ, କୌଣସି ପ୍ରକାର ଶିଳ୍ପକର ତୋʼ ମଧ୍ୟରେ ଆଉ କେବେ ହେଁ ଦେଖାଯିବ ନାହିଁ, ଚକିପଥରର ଶଦ୍ଦ ତୋʼ ମଧ୍ୟରେ ଆଉ କେବେ ହେଁ ଶୁଣାଯିବ ନାହିଁ,
23 ২৩ আর কখনও তোমার মধ্যে প্রদীপের আলো জ্বলবে না; এবং বর কন্যার গলার আওয়াজও আর কখনও তোমার মধ্যে শোনা যাবে না; কারণ তোমার ব্যবসায়ীরা পৃথিবীর মধ্যে অধিকারী ছিল এবং সব জাতি তোমার জাদূতে প্রতারিত হত।
ପ୍ରଦୀପର ଆଲୋକ, ତୋʼ ମଧ୍ୟରେ ଆଉ କେବେ ହେଁ ପ୍ରଜ୍ୱଳିତ ହେବ ନାହିଁ, ପୁଣି, ବର କନ୍ୟାଙ୍କ ଶବ୍ଦ, ତୋʼ ମଧ୍ୟରେ ଆଉ କେବେ ହେଁ ଶୁଣାଯିବ ନାହିଁ; କାରଣ ତୋହର ବଣିକମାନେ ପୃଥିବୀରେ ମହାନ ଥିଲେ, ଆଉ ତୋହର ମାୟାରେ ଜାତିସମୂହ ଭ୍ରାନ୍ତ ହୋଇଥିଲେ,
24 ২৪ ভাববাদীদের ও ঈশ্বরের পবিত্র মানুষদের রক্ত এবং যত লোককে পৃথিবীতে মেরে ফেলা হয়েছিল তাদের রক্ত তার মধ্যে পাওয়া গেল।
ପୁଣି, ଭାବବାଦୀମାନଙ୍କର, ସାଧୁମାନଙ୍କର ଓ ପୃଥିବୀରେ ହତ ହୋଇଥିବା ସମସ୍ତଙ୍କର ରକ୍ତ ତାହା ମଧ୍ୟରେ ଦେଖାଯାଇଥିଲା।”

< প্রকাশিত বাক্য 18 >