< আদিপুস্তক 41 >

1 দুই বছর পরে ফরৌণ স্বপ্ন দেখলেন।
ἐγένετο δὲ μετὰ δύο ἔτη ἡμερῶν Φαραω εἶδεν ἐνύπνιον ᾤετο ἑστάναι ἐπὶ τοῦ ποταμοῦ
2 দেখ, তিনি নদীর তীরে দাঁড়িয়ে আছেন, আর দেখ, নদী থেকে সাতটি মোটাসোটা সুন্দর গরু উঠল ও খাগড়া বনে চরতে লাগল।
καὶ ἰδοὺ ὥσπερ ἐκ τοῦ ποταμοῦ ἀνέβαινον ἑπτὰ βόες καλαὶ τῷ εἴδει καὶ ἐκλεκταὶ ταῖς σαρξὶν καὶ ἐβόσκοντο ἐν τῷ ἄχει
3 সেগুলির পরে, দেখ, আর সাতটি রোগা ও বিশ্রী গরু নদী থেকে উঠল ও নদীর তীরে ঐ গরুদের কাছে দাঁড়াল।
ἄλλαι δὲ ἑπτὰ βόες ἀνέβαινον μετὰ ταύτας ἐκ τοῦ ποταμοῦ αἰσχραὶ τῷ εἴδει καὶ λεπταὶ ταῖς σαρξὶν καὶ ἐνέμοντο παρὰ τὰς βόας παρὰ τὸ χεῖλος τοῦ ποταμοῦ
4 পরে সেই রোগা বিশ্রী গাভীরা ঐ সাতটি মোটাসোটা সুন্দর গরুকে খেয়ে ফেলল। তখন ফরৌণের ঘুম ভেঙে গেল।
καὶ κατέφαγον αἱ ἑπτὰ βόες αἱ αἰσχραὶ καὶ λεπταὶ ταῖς σαρξὶν τὰς ἑπτὰ βόας τὰς καλὰς τῷ εἴδει καὶ τὰς ἐκλεκτάς ἠγέρθη δὲ Φαραω
5 তার পরে তিনি আবার ঘুমিয়ে পড়লে দ্বিতীয় বার স্বপ্ন দেখলেন; দেখ, এক বোঁটাতে সাতটি মোটা ও ভালো শীষ উঠল।
καὶ ἐνυπνιάσθη τὸ δεύτερον καὶ ἰδοὺ ἑπτὰ στάχυες ἀνέβαινον ἐν πυθμένι ἑνὶ ἐκλεκτοὶ καὶ καλοί
6 সেগুলির পরে, দেখ, পূর্বীয় বায়ুতে শোষিত অন্য সাতটি ক্ষীণ শীষ উঠল।
ἄλλοι δὲ ἑπτὰ στάχυες λεπτοὶ καὶ ἀνεμόφθοροι ἀνεφύοντο μετ’ αὐτούς
7 আর এই ক্ষীণ শীষগুলি ঐ সাতটি মোটা পরিপক্ক শীষকে খেয়ে ফেলল। পরে ফরৌণের ঘুম ভেঙে গেল, আর দেখ, ওটা স্বপ্নমাত্র।
καὶ κατέπιον οἱ ἑπτὰ στάχυες οἱ λεπτοὶ καὶ ἀνεμόφθοροι τοὺς ἑπτὰ στάχυας τοὺς ἐκλεκτοὺς καὶ τοὺς πλήρεις ἠγέρθη δὲ Φαραω καὶ ἦν ἐνύπνιον
8 পরে সকালে তাঁর মন অস্থির হল; আর তিনি লোক পাঠিয়ে মিশরের সব জাদুকর ও সেখানকার সব জ্ঞানীকে ডাকলেন; আর ফরৌণ তাঁদের কাছে সেই স্বপ্নবৃত্তান্ত বললেন, কিন্তু তাঁদের মধ্যে কেউই ফরৌণকে তার অর্থ বলতে পারলেন না।
ἐγένετο δὲ πρωὶ καὶ ἐταράχθη ἡ ψυχὴ αὐτοῦ καὶ ἀποστείλας ἐκάλεσεν πάντας τοὺς ἐξηγητὰς Αἰγύπτου καὶ πάντας τοὺς σοφοὺς αὐτῆς καὶ διηγήσατο αὐτοῖς Φαραω τὸ ἐνύπνιον καὶ οὐκ ἦν ὁ ἀπαγγέλλων αὐτὸ τῷ Φαραω
9 তখন প্রধান পানপাত্রবাহক ফরৌণকে অনুরোধ করল, “আজ আমার দোষ মনে পড়ছে।”
καὶ ἐλάλησεν ὁ ἀρχιοινοχόος πρὸς Φαραω λέγων τὴν ἁμαρτίαν μου ἀναμιμνῄσκω σήμερον
10 ১০ ফরৌণ নিজের দুই দাসের প্রতি, আমার ও প্রধান রুটিওয়ালার প্রতি, রেগে গিয়ে আমাদেরকে রক্ষক-সেনাপতির বাড়িতে কারাবদ্ধ করেছিলেন।
Φαραω ὠργίσθη τοῖς παισὶν αὐτοῦ καὶ ἔθετο ἡμᾶς ἐν φυλακῇ ἐν τῷ οἴκῳ τοῦ ἀρχιμαγείρου ἐμέ τε καὶ τὸν ἀρχισιτοποιόν
11 ১১ আর সে ও আমি এক রাতে স্বপ্ন দেখেছিলাম এবং দুই জনের স্বপ্নের দুই প্রকার অর্থ হল।
καὶ εἴδομεν ἐνύπνιον ἐν νυκτὶ μιᾷ ἐγώ τε καὶ αὐτός ἕκαστος κατὰ τὸ αὑτοῦ ἐνύπνιον εἴδομεν
12 ১২ তখন সে জায়গায় রক্ষক-সেনাপতির দাস এক জন ইব্রীয় যুবক আমাদের সঙ্গে ছিল; তাকে স্বপ্নবৃত্তান্ত বললে সে আমাদেরকে তার অর্থ বলল; উভয়ের স্বপ্নের অর্থ বলল।
ἦν δὲ ἐκεῖ μεθ’ ἡμῶν νεανίσκος παῖς Εβραῖος τοῦ ἀρχιμαγείρου καὶ διηγησάμεθα αὐτῷ καὶ συνέκρινεν ἡμῖν
13 ১৩ আর সে আমাদেরকে যেমন অর্থ বলেছিল, সেরকমই ঘটল; মহারাজ আমাকে আগের পদে নিযুক্ত করলেন ও তাকে ফাঁসি দিলেন।
ἐγενήθη δὲ καθὼς συνέκρινεν ἡμῖν οὕτως καὶ συνέβη ἐμέ τε ἀποκατασταθῆναι ἐπὶ τὴν ἀρχήν μου ἐκεῖνον δὲ κρεμασθῆναι
14 ১৪ তখন ফরৌণ যোষেফকে ডেকে পাঠালে লোকেরা কারাকুয়ো থেকে তাঁকে তাড়াতাড়ি আনল। পরে তিনি চুল-দাড়ি কেটে অন্য পোশাক পরে ফরৌণের কাছে উপস্থিত হলেন।
ἀποστείλας δὲ Φαραω ἐκάλεσεν τὸν Ιωσηφ καὶ ἐξήγαγον αὐτὸν ἐκ τοῦ ὀχυρώματος καὶ ἐξύρησαν αὐτὸν καὶ ἤλλαξαν τὴν στολὴν αὐτοῦ καὶ ἦλθεν πρὸς Φαραω
15 ১৫ তখন ফরৌণ যোষেফকে বললেন, “আমি এক স্বপ্ন দেখেছি, তার অর্থ করতে পারে, এমন কেউ নেই। কিন্তু তোমার বিষয়ে আমি শুনেছি যে, তুমি স্বপ্ন শুনলে অর্থ করতে পার।”
εἶπεν δὲ Φαραω τῷ Ιωσηφ ἐνύπνιον ἑώρακα καὶ ὁ συγκρίνων οὐκ ἔστιν αὐτό ἐγὼ δὲ ἀκήκοα περὶ σοῦ λεγόντων ἀκούσαντά σε ἐνύπνια συγκρῖναι αὐτά
16 ১৬ যোষেফ ফরৌণকে উত্তর করলেন, “তা আমার পক্ষে অসম্ভব, ঈশ্বরই ফরৌণকে সঠিক উত্তর দেবেন।”
ἀποκριθεὶς δὲ Ιωσηφ τῷ Φαραω εἶπεν ἄνευ τοῦ θεοῦ οὐκ ἀποκριθήσεται τὸ σωτήριον Φαραω
17 ১৭ তখন ফরৌণ যোষেফকে বললেন, “দেখ, আমি স্বপ্নে নদীর তীরে দাঁড়িয়েছিলাম।
ἐλάλησεν δὲ Φαραω τῷ Ιωσηφ λέγων ἐν τῷ ὕπνῳ μου ᾤμην ἑστάναι παρὰ τὸ χεῖλος τοῦ ποταμοῦ
18 ১৮ আর দেখ, নদী থেকে সাতটি মোটাসোটা গরু উঠে খাগড়া বনে চরতে লাগল।
καὶ ὥσπερ ἐκ τοῦ ποταμοῦ ἀνέβαινον ἑπτὰ βόες καλαὶ τῷ εἴδει καὶ ἐκλεκταὶ ταῖς σαρξὶν καὶ ἐνέμοντο ἐν τῷ ἄχει
19 ১৯ সেগুলির পরে, দেখ, রোগা ও বিশ্রী গাভী উঠল; আমি সমস্ত মিশর দেশে সেই ধরনের বিশ্রী গাভী কখনও দেখিনি।
καὶ ἰδοὺ ἑπτὰ βόες ἕτεραι ἀνέβαινον ὀπίσω αὐτῶν ἐκ τοῦ ποταμοῦ πονηραὶ καὶ αἰσχραὶ τῷ εἴδει καὶ λεπταὶ ταῖς σαρξίν οἵας οὐκ εἶδον τοιαύτας ἐν ὅλῃ γῇ Αἰγύπτῳ αἰσχροτέρας
20 ২০ আর এই রোগা ও বিশ্রী গরুরা সেই আগের মোটাসোটা সাতটি গরুকে খেয়ে ফেলল।
καὶ κατέφαγον αἱ ἑπτὰ βόες αἱ αἰσχραὶ καὶ λεπταὶ τὰς ἑπτὰ βόας τὰς πρώτας τὰς καλὰς καὶ ἐκλεκτάς
21 ২১ কিন্তু তারা এদের খেয়ে ফেললে পর, খেয়ে ফেলেছে, এমন মনে হল না, কারণ এরা আগের মতো বিশ্রীই থাকল।
καὶ εἰσῆλθον εἰς τὰς κοιλίας αὐτῶν καὶ οὐ διάδηλοι ἐγένοντο ὅτι εἰσῆλθον εἰς τὰς κοιλίας αὐτῶν καὶ αἱ ὄψεις αὐτῶν αἰσχραὶ καθὰ καὶ τὴν ἀρχήν ἐξεγερθεὶς δὲ ἐκοιμήθην
22 ২২ তখন আমার ঘুম ভেঙে গেল। পরে আমি আর এক স্বপ্ন দেখলাম; আর দেখ, একটি বোঁটায় সম্পূর্ণ ভালো সাতটি শীষ উঠল।
καὶ εἶδον πάλιν ἐν τῷ ὕπνῳ μου καὶ ὥσπερ ἑπτὰ στάχυες ἀνέβαινον ἐν πυθμένι ἑνὶ πλήρεις καὶ καλοί
23 ২৩ আর দেখ, সেগুলির পরে শুকনো, ক্ষীণ ও পুর্বীয় বায়ুতে শুকনো সাতটি শীষ উঠল।
ἄλλοι δὲ ἑπτὰ στάχυες λεπτοὶ καὶ ἀνεμόφθοροι ἀνεφύοντο ἐχόμενοι αὐτῶν
24 ২৪ আর এই ক্ষীণ শীষগুলি সেই ভালো সাতটি শীষকে গ্রাস করল। এই স্বপ্ন আমি জাদুকরদেরকে বললাম, কিন্তু কেউই এর অর্থ আমাকে বলতে পারল না।”
καὶ κατέπιον οἱ ἑπτὰ στάχυες οἱ λεπτοὶ καὶ ἀνεμόφθοροι τοὺς ἑπτὰ στάχυας τοὺς καλοὺς καὶ τοὺς πλήρεις εἶπα οὖν τοῖς ἐξηγηταῖς καὶ οὐκ ἦν ὁ ἀπαγγέλλων μοι
25 ২৫ তখন যোষেফ ফরৌণকে বললেন, “ফরৌণের স্বপ্ন এক; ঈশ্বর যা করতে প্রস্তুত হয়েছেন, তাই ফরৌণকে জানিয়েছেন।
καὶ εἶπεν Ιωσηφ τῷ Φαραω τὸ ἐνύπνιον Φαραω ἕν ἐστιν ὅσα ὁ θεὸς ποιεῖ ἔδειξεν τῷ Φαραω
26 ২৬ ঐ সাতটি ভালো গরু সাত বছর এবং ঐ সাতটি ভালো শীষও সাত বছর; স্বপ্ন এক।
αἱ ἑπτὰ βόες αἱ καλαὶ ἑπτὰ ἔτη ἐστίν καὶ οἱ ἑπτὰ στάχυες οἱ καλοὶ ἑπτὰ ἔτη ἐστίν τὸ ἐνύπνιον Φαραω ἕν ἐστιν
27 ২৭ আর তার পরে যে সাতটি রোগা ও বিশ্রী গরু উঠল, তারাও সাত বছর এবং পুর্বীয় বায়ুতে শুকনো যে সাতটি অপুষ্ট শীষ উঠল, তা দূর্ভিক্ষের সাত বছর হবে।”
καὶ αἱ ἑπτὰ βόες αἱ λεπταὶ αἱ ἀναβαίνουσαι ὀπίσω αὐτῶν ἑπτὰ ἔτη ἐστίν καὶ οἱ ἑπτὰ στάχυες οἱ λεπτοὶ καὶ ἀνεμόφθοροι ἔσονται ἑπτὰ ἔτη λιμοῦ
28 ২৮ আমি ফরৌণকে এটাই বললাম; “ঈশ্বর যা করতে প্রস্তুত হয়েছেন, তা ফরৌণকে দেখিয়েছেন।
τὸ δὲ ῥῆμα ὃ εἴρηκα Φαραω ὅσα ὁ θεὸς ποιεῖ ἔδειξεν τῷ Φαραω
29 ২৯ দেখুন, সমস্ত মিশর দেশে সাত বছর প্রচুর শস্য হবে।
ἰδοὺ ἑπτὰ ἔτη ἔρχεται εὐθηνία πολλὴ ἐν πάσῃ γῇ Αἰγύπτῳ
30 ৩০ তার পরে সাত বছর এমন দূর্ভিক্ষ হবে যে, মিশর দেশে সমস্ত শস্য নষ্ট হবে এবং সেই দূর্ভিক্ষে দেশ ধ্বংস হবে।
ἥξει δὲ ἑπτὰ ἔτη λιμοῦ μετὰ ταῦτα καὶ ἐπιλήσονται τῆς πλησμονῆς ἐν ὅλῃ γῇ Αἰγύπτῳ καὶ ἀναλώσει ὁ λιμὸς τὴν γῆν
31 ৩১ আর সেই পরে আসা দূর্ভিক্ষের জন্য দেশে আগের শস্যপ্রাচুর্য্যতার কথা মনে পড়বে না; কারণ তা খুব কষ্টকর হবে।
καὶ οὐκ ἐπιγνωσθήσεται ἡ εὐθηνία ἐπὶ τῆς γῆς ἀπὸ τοῦ λιμοῦ τοῦ ἐσομένου μετὰ ταῦτα ἰσχυρὸς γὰρ ἔσται σφόδρα
32 ৩২ আর ফরৌণের কাছে দুবার স্বপ্ন দেখাবার ভাব এই; ঈশ্বর এটা স্থির করেছেন এবং ঈশ্বর এটা তাড়াতাড়ি ঘটাবেন।
περὶ δὲ τοῦ δευτερῶσαι τὸ ἐνύπνιον Φαραω δίς ὅτι ἀληθὲς ἔσται τὸ ῥῆμα τὸ παρὰ τοῦ θεοῦ καὶ ταχυνεῖ ὁ θεὸς τοῦ ποιῆσαι αὐτό
33 ৩৩ অতএব এখন ফরৌণ একজন সুবুদ্ধি ও জ্ঞানবান পুরুষের চেষ্টা করে তাঁকে মিশর দেশের উপরে নিযুক্ত করুন।
νῦν οὖν σκέψαι ἄνθρωπον φρόνιμον καὶ συνετὸν καὶ κατάστησον αὐτὸν ἐπὶ γῆς Αἰγύπτου
34 ৩৪ আর ফরৌণ এই কাজ করুন; দেশে অধ্যক্ষদের নিযুক্ত করে যে সাত বছর শস্যপ্রাচুর্য্য হবে, সেই দিনের মিশর দেশ থেকে শস্যের পঞ্চমাংশ গ্রহণ করুন।
καὶ ποιησάτω Φαραω καὶ καταστησάτω τοπάρχας ἐπὶ τῆς γῆς καὶ ἀποπεμπτωσάτωσαν πάντα τὰ γενήματα τῆς γῆς Αἰγύπτου τῶν ἑπτὰ ἐτῶν τῆς εὐθηνίας
35 ৩৫ তাঁরা সেই আগামী ভালো বছরগুলিতে খাবার সংগ্রহ করুন ও ফরৌণের অধীনে নগরে নগরে খাবারের জন্য শস্য সঞ্চয় করুন ও রক্ষা করুন।
καὶ συναγαγέτωσαν πάντα τὰ βρώματα τῶν ἑπτὰ ἐτῶν τῶν ἐρχομένων τῶν καλῶν τούτων καὶ συναχθήτω ὁ σῖτος ὑπὸ χεῖρα Φαραω βρώματα ἐν ταῖς πόλεσιν φυλαχθήτω
36 ৩৬ এই ভাবে মিশর দেশে যে দূর্ভিক্ষ হবে, সেই দূর্ভিক্ষের সাত বছরের জন্য সেই খাবার দেশের জন্য সঞ্চিত থাকবে, তাতে দূর্ভিক্ষে দেশ ধ্বংস হবে না।”
καὶ ἔσται τὰ βρώματα πεφυλαγμένα τῇ γῇ εἰς τὰ ἑπτὰ ἔτη τοῦ λιμοῦ ἃ ἔσονται ἐν γῇ Αἰγύπτῳ καὶ οὐκ ἐκτριβήσεται ἡ γῆ ἐν τῷ λιμῷ
37 ৩৭ তখন ফরৌণের ও তাঁর সব দাসের দৃষ্টিতে এই কথা ভালো মনে হল।
ἤρεσεν δὲ τὰ ῥήματα ἐναντίον Φαραω καὶ ἐναντίον πάντων τῶν παίδων αὐτοῦ
38 ৩৮ আর ফরৌণ নিজের দাসদেরকে বললেন, “এর তুল্য পুরুষ, যাঁর অন্তরে ঈশ্বরের আত্মা আছেন, এমন আর কাকে পাব?”
καὶ εἶπεν Φαραω πᾶσιν τοῖς παισὶν αὐτοῦ μὴ εὑρήσομεν ἄνθρωπον τοιοῦτον ὃς ἔχει πνεῦμα θεοῦ ἐν αὐτῷ
39 ৩৯ তখন ফরৌণ যোষেফকে বললেন, “ঈশ্বর তোমাকে এই সব জানিয়েছেন, অতএব তোমার মতো সুবুদ্ধি ও জ্ঞানবান কেউই নেই।
εἶπεν δὲ Φαραω τῷ Ιωσηφ ἐπειδὴ ἔδειξεν ὁ θεός σοι πάντα ταῦτα οὐκ ἔστιν ἄνθρωπος φρονιμώτερος καὶ συνετώτερός σου
40 ৪০ তুমিই আমার বাড়ির পরিচালক হও; আমার সমস্ত প্রজা তোমার কথায় চলবে, কেবল সিংহাসনে আমি তোমার থেকে বড় থাকব।”
σὺ ἔσῃ ἐπὶ τῷ οἴκῳ μου καὶ ἐπὶ τῷ στόματί σου ὑπακούσεται πᾶς ὁ λαός μου πλὴν τὸν θρόνον ὑπερέξω σου ἐγώ
41 ৪১ ফরৌণ যোষেফকে আরও বললেন, “দেখ, আমি তোমাকে সমস্ত মিশর দেশের ওপরে নিযুক্ত করলাম।”
εἶπεν δὲ Φαραω τῷ Ιωσηφ ἰδοὺ καθίστημί σε σήμερον ἐπὶ πάσης γῆς Αἰγύπτου
42 ৪২ পরে ফরৌণ হাত থেকে নিজের আংটি খুলে যোষেফের হাতে দিলেন, তাঁকে কার্পাসের ভালো কাপড় পরালেন এবং তাঁর গলায় সোনার হার দিলেন।
καὶ περιελόμενος Φαραω τὸν δακτύλιον ἀπὸ τῆς χειρὸς αὐτοῦ περιέθηκεν αὐτὸν ἐπὶ τὴν χεῖρα Ιωσηφ καὶ ἐνέδυσεν αὐτὸν στολὴν βυσσίνην καὶ περιέθηκεν κλοιὸν χρυσοῦν περὶ τὸν τράχηλον αὐτοῦ
43 ৪৩ আর তাঁকে নিজের দ্বিতীয় রথে আরোহণ করালেন এবং লোকেরা তাঁর আগে আগে “হাঁটু পাত, হাঁটু পাত বলে ঘোষণা করল।” এই ভাবে তিনি সমস্ত মিশর দেশের পরিচালকের পদে নিযুক্ত হলেন।
καὶ ἀνεβίβασεν αὐτὸν ἐπὶ τὸ ἅρμα τὸ δεύτερον τῶν αὐτοῦ καὶ ἐκήρυξεν ἔμπροσθεν αὐτοῦ κῆρυξ καὶ κατέστησεν αὐτὸν ἐφ’ ὅλης γῆς Αἰγύπτου
44 ৪৪ আর ফরৌণ যোষেফকে বললেন, “আমি ফরৌণ, তোমার আদেশ ছাড়া সমস্ত মিশর দেশের কোনো লোক হাত কিংবা পা তুলতে পারবে না।”
εἶπεν δὲ Φαραω τῷ Ιωσηφ ἐγὼ Φαραω ἄνευ σοῦ οὐκ ἐξαρεῖ οὐθεὶς τὴν χεῖρα αὐτοῦ ἐπὶ πάσῃ γῇ Αἰγύπτου
45 ৪৫ আর ফরৌণ যোষেফের নাম “সাফনৎ-পানেহ” রাখলেন এবং তার সঙ্গে ওন নগর-নিবাসী পোটীফেরঃ নামে যাজকের আসনৎ নামের মেয়ের বিয়ে দিলেন। পরে যোষেফ মিশর দেশের মধ্যে যাতায়াত করতে লাগলেন
καὶ ἐκάλεσεν Φαραω τὸ ὄνομα Ιωσηφ Ψονθομφανηχ καὶ ἔδωκεν αὐτῷ τὴν Ασεννεθ θυγατέρα Πετεφρη ἱερέως Ἡλίου πόλεως αὐτῷ γυναῖκα
46 ৪৬ যোষেফ ত্রিশ বছর বয়সে মিশর-রাজ ফরৌণের সামনে দাঁড়িয়ে ছিলেন। পরে যোষেফ ফরৌণের কাছ থেকে চলে গিয়ে মিশর দেশের সব জায়গায় ভ্রমণ করলেন।
Ιωσηφ δὲ ἦν ἐτῶν τριάκοντα ὅτε ἔστη ἐναντίον Φαραω βασιλέως Αἰγύπτου ἐξῆλθεν δὲ Ιωσηφ ἐκ προσώπου Φαραω καὶ διῆλθεν πᾶσαν γῆν Αἰγύπτου
47 ৪৭ আর প্রচুর শস্য ফলনের সেই সাত বছর ভূমিতে প্রচুর পরিমাণ শস্য জন্মাল।
καὶ ἐποίησεν ἡ γῆ ἐν τοῖς ἑπτὰ ἔτεσιν τῆς εὐθηνίας δράγματα
48 ৪৮ মিশর দেশে উপস্থিত সেই সাত বছরে সব শস্য সংগ্রহ করে তিনি প্রতি নগরে সঞ্চয় করলেন; যে নগরের চার সীমায় যে শস্য হল, সেই নগরে তা সঞ্চয় করলেন।
καὶ συνήγαγεν πάντα τὰ βρώματα τῶν ἑπτὰ ἐτῶν ἐν οἷς ἦν ἡ εὐθηνία ἐν γῇ Αἰγύπτου καὶ ἔθηκεν τὰ βρώματα ἐν ταῖς πόλεσιν βρώματα τῶν πεδίων τῆς πόλεως τῶν κύκλῳ αὐτῆς ἔθηκεν ἐν αὐτῇ
49 ৪৯ এই ভাবে যোষেফ সমুদ্রের বালির মতো এমন প্রচুর শস্য সংগ্রহ করলেন যে, তা মাপা বন্ধ করলেন, কারণ তা পরিমাপের বাইরে ছিল।
καὶ συνήγαγεν Ιωσηφ σῖτον ὡσεὶ τὴν ἄμμον τῆς θαλάσσης πολὺν σφόδρα ἕως οὐκ ἠδύναντο ἀριθμῆσαι οὐ γὰρ ἦν ἀριθμός
50 ৫০ দূর্ভিক্ষ বছরের আগে যোষেফের দুই ছেলে জন্মাল; ওন-নিবাসী পোটীফেরঃ যাজকের মেয়ে আসনৎ তাঁর জন্য তাদেরকে প্রসব করলেন।
τῷ δὲ Ιωσηφ ἐγένοντο υἱοὶ δύο πρὸ τοῦ ἐλθεῖν τὰ ἑπτὰ ἔτη τοῦ λιμοῦ οὓς ἔτεκεν αὐτῷ Ασεννεθ θυγάτηρ Πετεφρη ἱερέως Ἡλίου πόλεως
51 ৫১ আর যোষেফ তাদের বড় ছেলের নাম মনঃশি [ভুলে যাওয়া] রাখলেন, কারণ তিনি বললেন, “ঈশ্বর আমার সমস্ত দুঃখের ও আমার বাবার বংশের স্মৃতি ভুলিয়ে দিয়েছেন।”
ἐκάλεσεν δὲ Ιωσηφ τὸ ὄνομα τοῦ πρωτοτόκου Μανασση ὅτι ἐπιλαθέσθαι με ἐποίησεν ὁ θεὸς πάντων τῶν πόνων μου καὶ πάντων τῶν τοῦ πατρός μου
52 ৫২ পরে দ্বিতীয় ছেলের নাম ইফ্রয়িম [ফলবান্‌] রাখলেন, কারণ তিনি বললেন, “আমার দুঃখভোগের দেশে ঈশ্বর আমাকে ফলবান করেছেন।”
τὸ δὲ ὄνομα τοῦ δευτέρου ἐκάλεσεν Εφραιμ ὅτι ηὔξησέν με ὁ θεὸς ἐν γῇ ταπεινώσεώς μου
53 ৫৩ পরে মিশর দেশে উপস্থিত শস্যপ্রাচুর্য্যের সাত বছর শেষ হল
παρῆλθον δὲ τὰ ἑπτὰ ἔτη τῆς εὐθηνίας ἃ ἐγένοντο ἐν γῇ Αἰγύπτῳ
54 ৫৪ এবং যোষেফ যেমন বলেছিলেন, সেই অনুসারে দূর্ভিক্ষের সাত বছর আরম্ভ হল। সব দেশে দূর্ভিক্ষ হল, কিন্তু সমস্ত মিশর দেশে খাবার ছিল।
καὶ ἤρξαντο τὰ ἑπτὰ ἔτη τοῦ λιμοῦ ἔρχεσθαι καθὰ εἶπεν Ιωσηφ καὶ ἐγένετο λιμὸς ἐν πάσῃ τῇ γῇ ἐν δὲ πάσῃ γῇ Αἰγύπτου ἦσαν ἄρτοι
55 ৫৫ পরে সমস্ত মিশর দেশে দূর্ভিক্ষ হলে প্রজারা ফরৌণের কাছে খাবারের জন্য কাঁদল, তাতে ফরৌণ মিশরীয়দের সবাইকে বললেন, “তোমরা যোষেফের কাছে যাও; তিনি তোমাদেরকে যা বলেন, তাই কর।”
καὶ ἐπείνασεν πᾶσα ἡ γῆ Αἰγύπτου ἐκέκραξεν δὲ ὁ λαὸς πρὸς Φαραω περὶ ἄρτων εἶπεν δὲ Φαραω πᾶσι τοῖς Αἰγυπτίοις πορεύεσθε πρὸς Ιωσηφ καὶ ὃ ἐὰν εἴπῃ ὑμῖν ποιήσατε
56 ৫৬ তখন সমস্ত দেশেই দূর্ভিক্ষ হয়েছিল। আর যোষেফ সব জায়গার গোলা খুলে মিশরীয়দের কাছে শস্য বিক্রি করতে লাগলেন; আর মিশর দেশে দূর্ভিক্ষ প্রবল হয়ে উঠল
καὶ ὁ λιμὸς ἦν ἐπὶ προσώπου πάσης τῆς γῆς ἀνέῳξεν δὲ Ιωσηφ πάντας τοὺς σιτοβολῶνας καὶ ἐπώλει πᾶσι τοῖς Αἰγυπτίοις
57 ৫৭ এবং সবদেশের লোক মিশর দেশে যোষেফের কাছে শস্য কিনতে এল, কারণ সবদেশেই দূর্ভিক্ষ প্রবল হয়েছিল।
καὶ πᾶσαι αἱ χῶραι ἦλθον εἰς Αἴγυπτον ἀγοράζειν πρὸς Ιωσηφ ἐπεκράτησεν γὰρ ὁ λιμὸς ἐν πάσῃ τῇ γῇ

< আদিপুস্তক 41 >