< حِزْقِيَال 33 >

وَكَانَ إِلَيَّ كَلَامُ ٱلرَّبِّ قَائِلًا: ١ 1
সদাপ্রভুর বাক্য আমার কাছে উপস্থিত হল,
«يَا ٱبْنَ آدَمَ، كَلِّمْ بَنِي شَعْبِكَ وقُلْ لَهُمْ: إِذَا جَلَبْتُ ٱلسَّيْفَ عَلَى أَرْضٍ، فَإِنْ أَخَذَ شَعْبُ ٱلْأَرْضِ رَجُلًا مِنْ بَيْنِهِمْ وَجَعَلُوهُ رَقِيبًا لَهُمْ، ٢ 2
“হে মানবসন্তান, তোমার জাতির লোকদের বলো ‘আমি যখন কোনও দেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধ নিয়ে আসি, আর দেশের লোকেরা একজনকে মনোনীত করে তাকে তাদের পাহারাদার নিযুক্ত করে,
فَإِذَا رَأَى ٱلسَّيْفَ مُقْبِلًا عَلَى ٱلْأَرْضِ نَفَخَ فِي ٱلْبُوقِ وَحَذَّرَ ٱلشَّعْبَ، ٣ 3
সে তরোয়ালকে আসতে দেখে লোকদের সতর্ক করবার জন্য তূরী বাজায়,
وَسَمِعَ ٱلسَّامِعُ صَوْتَ ٱلْبُوقِ وَلَمْ يَتَحَذَّرْ، فَجَاءَ ٱلسَّيْفُ وَأَخَذَهُ، فَدَمُهُ يَكُونُ عَلَى رَأْسِهِ. ٤ 4
তখন যদি কেউ তূরীর আওয়াজ শুনেও সতর্ক না হয় আর সৈন্যেরা এসে তাকে মেরে ফেলে তবে তার মৃত্যুর জন্য সে নিজেই দায়ী থাকবে।
سَمِعَ صَوْتَ ٱلْبُوقِ وَلَمْ يَتَحَذَّرْ، فَدَمُهُ يَكُونُ عَلَى نَفْسِهِ. لَوْ تَحَذَّرَ لَخَلَّصَ نَفْسَهُ. ٥ 5
তূরীর আওয়াজ শুনেও সে সতর্ক হয়নি বলে তার মৃত্যুর জন্য সে নিজেই দায়ী থাকবে। সে যদি সতর্ক হত তবে নিজেকে রক্ষা করতে পারত।
فَإِنْ رَأَى ٱلرَّقِيبُ ٱلسَّيْفَ مُقْبِلًا وَلَمْ يَنْفُخْ فِي ٱلْبُوقِ وَلَمْ يَتَحَذَّرِ ٱلشَّعْبُ، فَجَاءَ ٱلسَّيْفُ وَأَخَذَ نَفْسًا مِنْهُمْ، فَهُوَ قَدْ أُخِذَ بِذَنْبِهِ، أَمَّا دَمُهُ فَمِنْ يَدِ ٱلرَّقِيبِ أَطْلُبُهُ. ٦ 6
কিন্তু সেই পাহারাদার যদি সৈন্যদলকে আসতে দেখেও লোকদের সতর্ক করবার জন্য তূরী না বাজায় এবং সৈন্যদল এসে একজনকে মেরে ফেলে, তাহলে বুঝতে হবে সেই মানুষ তার নিজের পাপের জন্যই মারা গেছে, কিন্তু তার মৃত্যুর জন্য আমি সেই পাহারাদারকে দায়ী করব।’
«وَأَنْتَ يَا ٱبْنَ آدَمَ، فَقَدْ جَعَلْتُكَ رَقِيبًا لِبَيْتِ إِسْرَائِيلَ، فَتَسْمَعُ ٱلْكَلَامَ مِنْ فَمِي، وَتُحَذِّرُهُمْ مِنْ قِبَلِي. ٧ 7
“হে মানবসন্তান, ইস্রায়েল কুলের জন্য আমি তোমাকে পাহারাদার নিযুক্ত করেছি; সুতরাং আমি যা বলছি তা শোনো এবং আমার হয়ে তাদের সতর্ক করো।
إِذَا قُلْتُ لِلشِّرِّيرِ: يَا شِرِّيرُ مَوْتًا تَمُوتُ. فَإِنْ لَمْ تَتَكَلَّمْ لِتُحَذِّرَ ٱلشِّرِّيرَ مِنْ طَرِيقِهِ، فَذَلِكَ ٱلشِّرِّيرُ يَمُوتُ بِذَنْبِهِ، أَمَّا دَمُهُ فَمِنْ يَدِكَ أَطْلُبُهُ. ٨ 8
আমি যখন কোনও দুষ্ট লোককে বলি, ‘হে দুষ্টলোক, তুমি নিশ্চয়ই মরবে,’ আর তুমি তাকে তার মন্দ পথ থেকে ফিরবার জন্য সতর্ক না করো, তবে সেই দুষ্টলোক তার পাপের জন্য মারা যাবে, কিন্তু তার মৃত্যুর জন্য আমি তোমাকে দায়ী করব।
وَإِنْ حَذَّرْتَ ٱلشِّرِّيرَ مِنْ طَرِيقِهِ لِيَرْجعَ عَنْهُ، وَلَمْ يَرْجِعْ عَنْ طَرِيقِهِ، فَهُوَ يَمُوتُ بِذَنْبِهِ. أَمَّا أَنْتَ فَقَدْ خَلَّصْتَ نَفْسَكَ. ٩ 9
কিন্তু তুমি যদি সেই দুষ্ট লোককে তার পথ থেকে ফিরবার জন্য সতর্ক করো আর যদি সে না ফেরে তবে সে তার পাপের জন্য মরবে, কিন্তু তুমি নিজের প্রাণরক্ষা করবে।
وَأَنْتَ يَا ٱبْنَ آدَمَ فَكَلِّمْ بَيْتَ إِسْرَائِيلَ وَقُلْ: أَنْتُمْ تَتَكَلَّمُونَ هَكَذَا قَائِلِينَ: إِنَّ مَعَاصِيَنَا وَخَطَايَانَا عَلَيْنَا، وَبِهَا نَحْنُ فَانُونَ، فَكَيْفَ نَحْيَا؟ ١٠ 10
“হে মানবসন্তান, তুমি ইস্রায়েল কুলকে বলো, ‘তোমরা এই কথা বলছ: “আমাদের অন্যায় আর পাপের ভার আমাদের উপর চেপে আছে, তাতেই আমরা ক্ষয় হয়ে যাচ্ছি। তাহলে আমরা কেমন করে বাঁচব?”’
قُلْ لَهُمْ: حَيٌّ أَنَا، يَقُولُ ٱلسَّيِّدُ ٱلرَّبُّ، إِنِّي لَا أُسَرُّ بِمَوْتِ ٱلشِّرِّيرِ، بَلْ بِأَنْ يَرْجِعَ ٱلشِّرِّيرُ عَنْ طَرِيقِهِ وَيَحْيَا. اِرْجِعُوا، ٱرْجِعُوا عَنْ طُرُقِكُمُ ٱلرَّدِيئَةِ! فَلِمَاذَا تَمُوتُونَ يَابَيْتَ إِسْرَائِيلَ؟ ١١ 11
তাদের বলো, ‘সার্বভৌম সদাপ্রভু এই কথা বলেন, আমার জীবনের দিব্য দিয়ে বলছি, দুষ্টলোকের মৃত্যুতে আমি কোনও আনন্দ পাই না, বরং তারা যেন কুপথ থেকে ফিরে বাঁচে তাতেই আমি আনন্দ পাই। হে ইস্রায়েল কুল, তোমরা ফেরো, তোমাদের মন্দ পথ থেকে তোমরা ফেরো! কেন তোমরা মারা যাবে?’
وَأَنْتَ يَا ٱبْنَ آدَمَ، فَقُلْ لِبَنِي شَعْبِكَ: إِنَّ بِرَّ ٱلْبَارِّ لَا يُنَجِّيهِ فِي يَوْمِ مَعْصِيَتِهِ، وَٱلشِّرِّيرُ لَا يَعْثُرُ بِشَرِّهِ فِي يَوْمِ رُجُوعِهِ عَنْ شَرِّهِ. وَلَا يَسْتَطِيعُ ٱلْبَارُّ أَنْ يَحْيَا بِبِرِّهِ فِي يَوْمِ خَطِيئَتِهِ. ١٢ 12
“সেইজন্য, হে মানবসন্তান, তুমি তোমার জাতির লোকদের বলো, ‘ধার্মিকের ধার্মিকতা তার অবাধ্যের দিনে তাকে রক্ষা করবে না, আর দুষ্টলোক যদি তার দুষ্টতা থেকে ফেরে তবে সে তার দুষ্টতার শাস্তি পাবে না। ধার্মিক লোক যদি পাপ করে তবে তার আগের ধার্মিকতা তাকে বাঁচাতে পারবে না।’
إِذَا قُلْتُ لِلْبَارِّ: حَيَاةً تَحْيَا. فَٱتَّكَلَ هُوَ عَلَى بِرِّهِ وَأَثِمَ، فَبِرُّهُ كُلُّهُ لَا يُذْكَرُ، بَلْ بِإِثْمِهِ ٱلَّذِي فَعَلَهُ يَمُوتُ. ١٣ 13
আমি যদি ধার্মিক লোককে বলি যে সে নিশ্চয় বাঁচবে, কিন্তু পরে তার ধার্মিকতার উপর নির্ভর করে মন্দ কাজ করে, তবে সে আগে যেসব ধর্মকর্ম সে আগে করেছে তার কোনটাই মনে করা হবে না; সে যে অন্যায় করেছে তার জন্যই সে মরবে।
وَإِذَا قُلْتُ لِلشِّرِّيرِ: مَوْتًا تَمُوتُ. فَإِنْ رَجَعَ عَنْ خَطِيَّتِهِ وَعَمِلَ بِٱلْعَدْلِ وَٱلْحَقِّ، ١٤ 14
আর আমি যদি সেই দুষ্ট লোককে বলি, ‘তুমি নিশ্চয় মরবে,’ কিন্তু সে পরে তার পাপ থেকে ফিরে ন্যায় ও ঠিক কাজ করে।
إِنْ رَدَّ ٱلشِّرِّيرُ ٱلرَّهْنَ وَعَوَّضَ عَنِ ٱلْمُغْتَصَبِ، وَسَلَكَ فِي فَرَائِضِ ٱلْحَيَاةِ بِلَا عَمَلِ إِثْمٍ، فَإِنَّهُ حَيَاةً يَحْيَا. لَا يَمُوتُ. ١٥ 15
সেই দুষ্ট যদি বন্ধক রাখা জিনিস ফিরিয়ে দেয়, সে যা চুরি করেছিল তা ফিরিয়ে দেয়, জীবনদায়ী নিয়মকানুন পালন করে এবং অন্যায় না করে—সে নিশ্চয়ই বাঁচবে; সে মারা যাবে না।
كُلُّ خَطِيَّتِهِ ٱلَّتِي أَخْطَأَ بِهَا لَا تُذْكَرُ عَلَيْهِ. عَمِلَ بِٱلْعَدْلِ وَٱلْحَقِّ فَيَحْيَا حَيَاةً. ١٦ 16
সে যেসব পাপ করেছে তার কোনটাই তার বিরুদ্ধে মনে রাখা হবে না। সে ন্যায় ও ঠিক কাজ করেছে বলে; সে নিশ্চয়ই বাঁচবে।
وَأَبْنَاءُ شَعْبِكَ يَقُولُونَ: لَيْسَتْ طَرِيقُ ٱلرَّبِّ مُسْتَوِيَةً. بَلْ هُمْ طَرِيقُهُمْ غَيْرُ مُسْتَوِيَةٍ! ١٧ 17
“তবুও তোমার জাতির লোকেরা বলে, ‘সদাপ্রভুর পথ ঠিক নয়।’ কিন্তু তাদের পথই ঠিক নয়।
عِنْدَ رُجُوعِ ٱلْبَارِّ عَنْ بِرِّهِ وَعِنْدَ عَمَلِهِ إِثْمًا فَإِنَّهُ يَمُوتُ بِهِ. ١٨ 18
একজন ধার্মিক লোক যদি তার ধার্মিকতা থেকে ফিরে অন্যায় করে, সে তার জন্য মরবে।
وَعِنْدَ رُجُوعِ ٱلشِّرِّيرِ عَنْ شَرِّهِ وَعِنْدَ عَمَلِهِ بِٱلْعَدْلِ وَٱلْحَقِّ، فَإِنَّهُ يَحْيَا بِهِمَا. ١٩ 19
আর যদি একজন দুষ্টলোক তার দুষ্টতা থেকে ফিরে ন্যায় ও ঠিক কাজ করে তবে সে তার জন্য বাঁচবে।
وَأَنْتُمْ تَقُولُونَ: إِنَّ طَرِيقَ ٱلرَّبِّ غَيْرُ مُسْتَوِيَةٍ. إِنِّي أَحْكُمُ عَلَى كُلِّ وَاحِدٍ مِنْكُمْ كَطُرُقِهِ يَا بَيْتَ إِسْرَائِيلَ». ٢٠ 20
তবুও, হে ইস্রায়েল কুল, তোমরা বলো, ‘সদাপ্রভুর পথ ঠিক নয়।’ সেইজন্য তোমরা যেভাবে চলছ সেই অনুসারে আমি তোমাদের প্রত্যেকের বিচার করব।”
وَكَانَ فِي ٱلسَّنَةِ ٱلثَّانِيَةِ عَشَرَةَ مِنْ سَبْيِنَا، فِي ٱلشَّهْرِ ٱلْعَاشِرِ، فِي ٱلْخَامِسِ مِنَ ٱلشَّهْرِ، أَنَّهُ جَاءَ إِلَيَّ مُنْفَلِتٌ مِنْ أُورُشَلِيمَ، فَقَالَ: «قَدْ ضُرِبَتِ ٱلْمَدِينَةُ». ٢١ 21
আমাদের নির্বাসনের বারো বছর দশ মাসের পাঁচ দিনের দিন, একজন লোক জেরুশালেম থেকে পালিয়ে আমার কাছে এসে বলল, “শত্রুরা নগর অধিকার করেছে!”
وَكَانَتْ يَدُ ٱلرَّبِّ عَلَيَّ مَسَاءً قَبْلَ مَجِيءِ ٱلْمُنْفَلِتِ، وَفَتَحَتْ فَمِي حَتَّى جَاءَ إِلَيَّ صَبَاحًا، فَٱنْفَتَحَ فَمِي وَلَمْ أَكُنْ بَعْدُ أَبْكَمَ. ٢٢ 22
সেই লোক আমার কাছে পৌঁছাবার আগের বিকালে, সদাপ্রভুর হাত আমার উপরে ছিল, এবং সেই লোক সকালে আমার কাছে আসার আগেই তিনি আমার মুখ খুলে দিলেন। সেই কারণে আমার মুখ খুলে গিয়েছিল এবং আমি আর নীরব থাকতে পারলাম না।
فَكَانَ إِلَيَّ كَلَامُ ٱلرَّبِّ قَائِلًا: ٢٣ 23
পরে সদাপ্রভুর বাক্য আমার কাছে উপস্থিত হল,
«يَا ٱبْنَ آدَمَ، إِنَّ ٱلسَّاكِنِينَفيِ هَذِهِ ٱلْخِرَبِ فِي أَرْضِ إِسْرَائِيلَ يَتَكَلَّمُونَ قَائِلِينَ: إِنَّ إِبْرَاهِيمَ كَانَ وَاحِدًا وَقَدْ وَرِثَ ٱلْأَرْضَ، وَنَحْنُ كَثِيرُونَ، لَنَا أُعْطِيَتِ ٱلْأَرْضُ مِيرَاثًا. ٢٤ 24
“হে মানবসন্তান, ইস্রায়েল দেশের ধ্বংসস্থানে যারা বাস করছে তারা বলছে, ‘অব্রাহাম মাত্র একজন মানুষ হয়েও দেশের অধিকার পেয়েছিলেন। কিন্তু আমরা তো অনেকজন; নিশ্চয়ই দেশটা আমাদের অধিকারের জন্য দেওয়া হয়েছে।’
لِذَلِكَ قُلْ لَهُمْ: هَكَذَا قَالَ ٱلسَّيِّدُ ٱلرَّبُّ: تَأْكُلُونَ بِٱلدَّمِ وَتَرْفَعُونَ أَعْيُنَكُمْ إِلَى أَصْنَامِكُمْ وَتَسْفِكُونَ ٱلدَّمَ، أَفَتَرِثُونَ ٱلْأَرْضَ؟ ٢٥ 25
অতএব তাদের বলো, ‘সার্বভৌম সদাপ্রভু এই কথা বলেন, তোমরা রক্তশুদ্ধ মাংস খাচ্ছ, প্রতিমাগুলির প্রতি দৃষ্টিপাত করছ এবং রক্তপাত করছ, তাহলে কি তোমরা দেশের অধিকারী হবে?
وَقَفْتُمْ عَلَى سَيْفِكُمْ، فَعَلْتُمُ ٱلرِّجْسَ، وَكُلٌّ مِنْكُمْ نَجَّسَ ٱمْرَأَةَ صَاحِبِهِ، أَفَتَرِثُونَ ٱلْأَرْضَ؟ ٢٦ 26
তোমরা তো তরোয়ালের উপর নির্ভর করছ, তোমরা ঘৃণ্য কাজ করছ ও প্রত্যেকে নিজের প্রতিবাসীর স্ত্রীকে অশুচি করছ। তাহলে কি তোমরা দেশের অধিকারী হবে?’
قُلْ لَهُمْ: هَكَذَا قَالَ ٱلسَّيِّدُ ٱلرَّبُّ: حَيٌّ أَنَا، إِنَّ ٱلَّذِينَ فِي ٱلْخِرَبِ يَسْقُطُونَ بِٱلسَّيْفِ، وَٱلَّذِي هُوَ عَلَى وَجْهِ ٱلْحَقْلِ أَبْذِلُهُ لِلْوَحْشِ مَأْكَلًا، وَٱلَّذِينَ فِي ٱلْحُصُونِ وَفِي ٱلْمَغَايِرِ يَمُوتُونَ بِٱلْوَبَإِ. ٢٧ 27
“তাদের এই কথা বলো, ‘সার্বভৌম সদাপ্রভু এই কথা বলেন, আমার জীবনের দিব্য দিয়ে বলছি, যারা সেই ধ্বংসস্থানে আছে তারা যুদ্ধে মারা পড়বে, যারা মাঠে আছে তাদের খেয়ে ফেলার জন্য আমি বন্যপশুদের কাছে তাদের দেব এবং যারা দুর্গে ও গুহায় আছে তারা মহামারিতে মারা যাবে।
فَأَجْعَلُ ٱلْأَرْضَ خَرِبَةً مُقْفِرَةً، وَتَبْطُلُ كِبْرِيَاءُ عِزَّتِهَا، وَتَخْرَبُ جِبَالُ إِسْرَائِيلَ بِلَا عَابِرٍ. ٢٨ 28
আমি দেশটাকে একটি জনশূন্য পতিত জায়গা করব, তার শক্তির গর্ব শেষ হয়ে যাবে এবং ইস্রায়েলের পাহাড়গুলি এত জনশূন্য হবে যে সেখান দিয়ে কেউ যাওয়া-আসা করবে না।
فَيَعْلَمُونَ أَنِّي أَنَا ٱلرَّبُّ حِينَ أَجْعَلُ ٱلْأَرْضَ خَرِبَةً مُقْفِرَةً عَلَى كُلِّ رَجَاسَاتِهِمِ ٱلَّتِي فَعَلُوهَا. ٢٩ 29
তাদের ঘৃণ্য কাজের জন্য আমি যখন দেশকে জনশূন্য করব তখন তারা জানবে যে আমিই সদাপ্রভু।’
«وَأَنْتَ يَا ٱبْنَ آدَمَ، فَإِنَّ بَنِي شَعْبِكَ يَتَكَلَّمُونَ عَلَيْكَ بِجَانِبِ ٱلْجُدْرَانِ، وَفِي أَبْوَابِ ٱلْبُيُوتِ، وَيَتَكَلَّمُ ٱلْوَاحِدُ مَعَ ٱلْآخَرِ، ٱلرَّجُلُ مَعَ أَخِيهِ قَائِلِينَ: هَلُمَّ ٱسْمَعُوا مَا هُوَ ٱلْكَلَامُ ٱلْخَارِجُ مِنْ عِنْدِ ٱلرَّبِّ! ٣٠ 30
“আর, হে মানবসন্তান, তোমার জাতির লোকেরা দেয়ালের পাশে ও ঘরের দরজায় একত্র হয়ে তোমার বিষয়ে বলাবলি করছে এবং একে অন্যকে বলছে, ‘সদাপ্রভুর কাছ থেকে যে সংবাদ এসেছে চলো, আমরা গিয়ে তা শুনি।’
وَيَأْتُونَ إِلَيْكَ كَمَا يَأْتِي ٱلشَّعْبُ، وَيَجْلِسُونَ أَمَامَكَ كَشَعْبِي، وَيَسْمَعُونَ كَلَامَكَ وَلَا يَعْمَلُونَ بِهِ، لِأَنَّهُمْ بِأَفْوَاهِهِمْ يُظْهِرُونَ أَشْوَاقًا وَقَلْبُهُمْ ذَاهِبٌ وَرَاءَ كَسْبِهِمْ. ٣١ 31
আমার লোকেরা তোমার কাছে আসে, যেমন তারা সাধারণত এসে থাকে, এবং তারা তোমার সামনে বসে ও তোমার কথা শোনে, কিন্তু তারা তা কাজে লাগায় না। মুখে তারা ভালোবাসার কথা বলে কিন্তু তাদের অন্তরে অন্যায় লাভের জন্য লোভ থাকে।
وَهَا أَنْتَ لَهُمْ كَشِعْرِ أَشْوَاقٍ لِجَمِيلِ ٱلصَّوْتِ يُحْسِنُ ٱلْعَزْفَ، فَيَسْمَعُونَ كَلَامَكَ وَلَا يَعْمَلُونَ بِهِ. ٣٢ 32
এই কথা সত্যি যে, তুমি তাদের কাছে কেবল মিষ্টি সুরে সুন্দরভাবে বাজনা বাজিয়ে ভালোবাসার গান গাওয়া একজন লোক ছাড়া আর কিছু নও, কারণ তারা তোমার কথা শোনে, কিন্তু তা পালন করে না।
وَإِذَا جَاءَ هَذَا، لِأَنَّهُ يَأْتِي، فَيَعْلَمُونَ أَنَّ نَبِيًّا كَانَ فِي وَسْطِهِمْ». ٣٣ 33
“যখন এসব সত্যিই ঘটবে—আর তা নিশ্চয়ই ঘটবে—তখন তারা জানবে যে তাদের মধ্যে একজন ভাববাদী আছে।”

< حِزْقِيَال 33 >